খালি হাতে ঢাকায় এসে এখন ২৫ কোটি টাকা

১২ বছর বয়সে চাঁদপুরের কচুয়া থেকে কাজে’র উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন মো. আমান উল্লাহ। সময়টা ২০০৩ সালের শুরুতে। কাজে’র সুযোগ পান পুরান ঢাকার ছোট কাটরা এলাকার নাসরিন টয় কারখানায়।সেখানে বাচ্চাদের খেলনা তৈরি হয়। তবে ওই সময়ে দেশি খেলনার চেয়ে বিদেশি খেলনার বাজারই বড় ছিল। ওই কারখানায় বিদেশি খেলনা আনা হতো, তা অনুসরণ করে দেশে খেলনা তৈরির চেষ্টা করা হতো।

আর সেই পণ্য নেড়েচেড়ে আমান উল্লাহ ভালো’ভাবেই রপ্ত করেছিলেন খেলনা তৈরির কলাকৌশল। বিদেশি এসব খেলনার পেছনে এতটাই সময় দিয়েছিলেন যে পাঁচ বছরে মাত্র চার ঈদে গ্রামে গিয়েছিলেন। আরও পড়ুন : সাধারণত ২৪ বা ২৫ বছর ব’য়সী মে’য়েরা কিছু উদ্ভট অজুহাত দেখিয়ে বিয়ে ক’রতে চান না।কিন্তু বাবা-মা জো’র করে হলেও এই সময়টাতে মে’য়েদের বিয়ে দিতে চান।আবার অনেক মে’য়ে স্বাধীনতা খর্ব হবে ভাবনায় বিয়ে ক’রতে চান না। তবে মে’য়েরা বিয়ে না করার জন্য যেসব অজুহাত দেন সেগুলো খুব একটা গু’রুত্ব পূর্ণ নয়।এ কারণে তারা বিয়ে ব’ন্ধ ক’রতে ব্য’র্থ হয়।

আপনি যদি এখনই বিয়ে ক’রতে না চান, তাহলে অ’ন্তত আইডিভা ওয়েবসাইটে দেওয়া এই অজুহাতগুলো দেবেন না।আমি আরো পড়তে চাই। গ্র্যাজুয়েশন শেষ হওয়ার পর নিশ্চয়ই আপনার এই অজুহাত কেউ মানতে চাইবে না।আমি পড়ার জন্য দেশের বাইরে যেতে চাই। এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না। মে’য়েদের তাঁর বাবা-মা একা দেশের বাইরে পাঠাতে রাজি হন না। তাই এই অজুহাত না দেখানোই ভালো।

কারণ ক্যারিয়ারে শেষ বলতে কোনো কথা নেই। প্রতি মুহূ’র্তেই ভালো কিছু করার জন্য চেষ্টা ক’রতে হয়। তাই এই অজুহাত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।বিয়ে আমা’র জন্য না।এই কথা বলে কখনোই বিয়ে ব’ন্ধ ক’রতে পারবেন না। তাই এমন কথা না বলাই ভালো।আগে আমি আমা’র ওজন কমিয়ে নিই, তারপর বিয়ের কথা ভাবব। এই উদ্ভট অজুহাতের কোনো মানে আছে বলুন?

আমি রান্না ক’রতে পারি না। আগে রান্না শিখব তারপর বিয়ে করব। বিয়ের পর অনেক কিছুই নতুন করে শিখতে হয়। তাই এতদিন যেহেতু রান্না শেখেননি।
এখন আর শেখার প্রয়োজন নেই। রান্না ক’রতে ক’রতে এমনিতেই শিখে যাবেন। এটা বাবা-মাও ভালো বোঝেন। তাই তাঁদের সামনে এমন অজুহাত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।

আমা’র অনেক টাকা জমাতে হবে, তারপর বিয়ের কথা ভাবব। মে’য়েদের এই কথা কেউই মেনে নেবে না। তাই এই অজুহাত দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি এখন আমা’র বাবা-মাকে ছে’ড়ে যেতে পারব না। মে’য়েরা কোনোদিনও তার বাবা-মাকে ছে’ড়ে যেতে চায় না। তাই এখন আর পরে বলে কোনো কথা নেই।

ভাইয়া তো এখনো বিয়ে করেনি। আগে সে বিয়ে করুক, তারপর করব। ছেলেরা একটু দেরিতে বিয়ে করে এটাই স্বা’ভাবিক। তাই ভাইয়ের বিয়ের অজুহাত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই

আম্মু তোমা’র বিয়েও তো ২৮ বছর ব’য়সে হয়েছে। আমাকে এত তাড়াতাড়ি বিয়ে দিতে চাচ্ছো কেন? মায়ের স’ঙ্গে নিজে’র তুলনা করে কোনো লাভ নেই।ভালো প্রস্তাব পেলে মা মে’য়ের বিয়ে দিতে কখনোই দেরি ক’রতে চান না।