বাড়িতেই দারুন কায়দায় হেলিকপ্টার বানিয়ে আকাশে উড়লেন যুবক

হেলিকপ্টার বাতাসের চেয়ে ভারী অথচ উড্ডয়নক্ষম এমন একটি আকাশযান যার উর্দ্ধগতি সৃষ্টি হয় এক বা একাধিক আনুভূমিক পাখার ঘুর্ণনের সাহায্যে, উড়োজাহাজের মত ডানার সম্মুখগতির সাহায্যে জন্য নয় ।

এই পাখাগুলো দুই বা ততোধিক ব্লেডের সমন্বয়ে গঠিত যারা একটি মাস্তুল বা শক্ত দন্ডকে কেন্দ্র করে ঘোরে। ঘুর্ণনক্ষম পাখার জন্য হেলিকপ্টারকে ঘূর্ণিপাখা আকাশযান বলা যায়।

‘হেলিকপ্টার’ শব্দটি এসেছে ফরাসি hélicoptère এলিকপ্ত্যার্‌ শব্দটি থেকে যা গুস্তাভ দ্য পন্তন দ্যআমেকোর্ত ১৮৬১ সালে ব্যবহার করেন। এই ফরাসি শব্দটির উৎস আবার গ্রীক ἕλικ- হেলিক্‌ অর্থাৎ “স্পাইরাল” বা “ঘুর্ণন” এবং πτερόν প্তেরোন্‌ অর্থাৎ “পাখা” শব্দ দুটি।

হেলিকপ্টারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো হেলিকপ্টার একেবারে খাড়া ভাবে উড়তে(take off) এবং নামতে(landing) পারে, এ জন্য এর কোন রানওয়ে প্রয়োজন হয় না; হেলিকপ্টারের পাখাই একে ওড়ার জন্য প্রয়োজনীয় উর্দ্ধচাপ সরবরাহ করে।

এই কারণে সঙ্কীর্ণ বা বিচ্ছিন্ন স্থানে যেখানে বিমান ওঠা নামা করতে পারে না, সেখানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। পাখার দ্বারা সৃষ্ট উর্দ্ধচাপ হেলিকপ্টারকে একই স্থানে ভেসে থাকতেও সাহায্য করে, ফলে হেলিকপ্টারকে দিয়ে এমন সব কাজ করানো যায় যা বিমানকে দিয়ে করানো যায়না, যেমন ক্রেন বা ঝুলন্ত ভারবাহক হিসেবে ব্যবহার।

বাড়িতে সহজ পদ্ধতিতে অভিনব কায়দায় বানিয়ে নেয়া যেতে পারে যে হেলিকপ্টার তার প্রথম ধারণা দিয়েছেন বৃটেনের এক জনৈক ব্যক্তি । কিভাবে তৈরি করলেন তিনি তার হেলিকপ্টার আসুন জেনে নেব। তার বাড়ির অকেজো একটি চেয়ার এর সাথে ৫৭ টি ড্রোন লাগিয়ে তিনি একটি হেলিকপ্টার তৈরি করেছেন। এবং হেলিকপ্টারটি বিশেষত্ব হলো যে এটি শুধুমাত্র নিজে নিজে উঠতে পারে তেমন কিন্তু নয় । তার পাশাপাশি একজন ব্যক্তিকে সাথে করে নিয়েও 15 ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট উচ্চতায় উঠতে পারে ।