মসজিদ হয়ে গেল কভিড হাসপাতাল, প্রশংসার ঢল

দিন যতই যাচ্ছে করোনা ততই বেড়ে চলছে। তবে দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না একদল মানুষ। এভাবে চলতে থাকলে করোনা অনেক ভয়াবহ রুপ ধারণ করবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। নতুন খবর হচ্ছে, ক’রোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ভারতে ঊর্ধ্বমুখী সং’ক্রমণের গ্রাফ।

এই পরিস্থিতিতে হা’সপাতালগুলিতে বেড ও অক্সিজেন দুই-ই অমিল হওয়ায় প্রবল সঙ্কটের মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব পদক্ষেপ নিয়েছে বরোদার এক মসজিদ। রাতারাতি মসজিদটিকে ৩০ শয্যার কভিড হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। আরও পড়ুন্ : হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, হেফাজত কোনো দলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বা কোনো দলকে ক্ষ’মতায় নিতে কাজ করছে না। সাথে অবিলম্বে ধরপাকড়-হয়রানি বন্ধ করে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধারণ করুন, কোনও সংঘাতে যাবেন না।

কোনও জ্বালাও পোড়াও করবেন না। হেফাজতে ইসলাম ভাঙচুর আর জ্বালাও পোড়াওতে বিশ্বাস করে না। বরং হারাম মনে করে। আপনারাও ধৈর্য ধারণ করুন।’ সোমবার (১৯ এপ্রিল) নিজ নামে খোলা (আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী) ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই নির্দেশনা দেন। একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এটাতো হযরত আদম (আ.) এর যুগ থেকে চলে আসতেছে। যাদের ঈমান আকিদা বেশি মজবুত তাদের ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষাও শক্ত হয়।

বিপদও শক্ত আছে। নবীগণের দ্বীন ও ঈমান সবচেয়ে বেশি শক্ত ছিল, তাই নবীরা বেশি বিপদের শিকার হয়েছেন। এরপর সাহাবায়ে কেরাম, তাদের দ্বীন ও ঈমান শক্ত ছিল বিধায় তারাও নবীদের পরে বেশি বিপদের মুখোমুখি হয়েছেন। এভাবে সিলসিলা চলতে থাকবে। আমাদের মধ্যেও যাদের দ্বীন ঈমান বেশি মজবুত, যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন, তার ওপর বিপদ আসে।

তারা পরীক্ষার সম্মুখীন হন। জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, কাউকে ক্ষ’মতায় বসানো, কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য নয় পরিষ্কার ভাষায় বলে আসতেছি। কোনও পার্টি বা দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য নয়। পরিষ্কার ভাষায় বলে আসতেছি। হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর জমিনে মোহাম্মদ রাসুল (স.) এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা।

কিন্তু কিছু কুচক্রীমহল নানাভাবে এসব গুজব ছড়াচ্ছে। সরকারের প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা এ গুজবে কান দেবেন না। তিনি বলেন, অনেকের সন্দেহ ‘হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্য হলো অমুক অমুক দলকে ক্ষমতায় বসানো। … নাউজুবিল্লাহ, এটি ডাহা মিথ্যা কথা। নির্জলা মিথ্যাচার।’ তিনি আরও বলেন, হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে ২০১০ সালে। এখন ২০২১ সাল, এই ১১ বছরে কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না, অমুক পার্টির সাথে হেফাজতে ইসলামের স’ম্পর্ক ছিল।

কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না। প্রশাসন মাহে রমজানে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদেরকে, ওলামা কেরামকে, দেশের জনগণকে, তৌহিদী ছাত্র জনতাকে হয়রানি করছে উল্লেখ করে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ‘আমাদের যেসব নেতাকর্মী, হক্কানি আলেম, নির্দোষ মানুষকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তি দান করুন। বড় বড় আলেম, আজিজুল হক ইসলামাবাদি, জুনায়েদ আল হাবিব, মুফতি সাখাওয়াত, মাওলানা মামুন, মামুনুল হক, মুফতি ইলিয়াস হামিদীসহ আরও অনেক বড় বড় আলেম, তৌহিদী জনতা, ছাত্র জনতা যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তি দিন।